শরীর ফিট রাখতে স্মার্ট-ফোন

কর্মময় জীবনে মানুষের কাছে সময়ের বড় অভাব। আজকের দিনে স্মার্ট-ফোন নামক বস্তুটির  একছত্র আধিপত্য প্রশংসনীয়। এই স্মার্ট-ফোন'এর যুগে আমাদের কাছে দুনিয়াটা বড়ই সহজ হয়ে ধরা দিচ্ছে। আজকের দিনে স্মার্ট-ফোন বস্তুটি সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। স্মার্ট-ফোন আজকাল মানুষের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে। এই ফোন ব্যবহার করা খুবই সহজ। স্মার্ট-ফোন'এ বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে জনপ্রিয় এবং সহজ অপারেটিং সিস্টেম হল অ্যান্ড্রয়েড, যার বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশান'এর মাধ্যমে ঘরে বসে অতি সহজে অনেক নিত্য প্রয়োজনীয় অত্যাবশিক কাজ করা সম্ভব। মোবাইল'এ যথাযথ ইন্টারনেট কানেকশন থাকলে মানুষ যেকোনো সময়ে মোবাইল রি-চার্জ, অনলাইন শপিং, ট্রেন ও প্লেন'এর টিকেট বুকিং, হোটেল বুকিং ইত্যাদি করে থাকি। এছাড়াও অনেক কিছুই আমরা মোবাইল'এর মাধ্যমে করে ফেলতে পারি। চিকিৎসাক্ষেত্রেও এইসব অ্যাপ্লিকেশান প্রচলন ধীরে ধীরে বাড়ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বিষয়ক অনেক তথ্যই এই অ্যাপ্লিকেশান'এর যুগে সহজলভ্য হয়ে উঠেছে। এই সব অ্যাপ্লিকেশান'এর আপদ-কালীন প্রয়োজনের সময় অনেক রোগ নিরাময়ের তৎক্ষণাৎ সমাধান পাওয়া যায়। প্রয়োজনে অনলাইন পরামর্শ এবং ডাক্তার'এর সাথে এপয়েন্টমেন্ট পাওয়া যায়।

কর্মময় জীবনে মানুষের সুস্থ থাকাই প্রথম শর্ত, আর সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন করার জন্য প্রত্যেকটি মানুষকে নিজেদের ফিটনেস নিয়ে সচেতন হতে হবে, আর আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বডি ফিটনেস রাখতে সাহায্য করছে। বিভিন্ন ধরণের বডি ফিটনেস সম্পর্কিত অ্যাপ। গুগল-প্লে স্টোর'এ এই ধরণের প্রচুর অ্যাপ্লিকেশান পাওয়া যায়।

ফিটনেস চেকআপ - এই অ্যাপ'টির মাধ্যমে আমরা নিজেদের ফ্লেক্সিবিলিটি এবং ব্যাল্যান্স চেকআপ করতে পারি। এই দুটি লক্ষণের মাধ্যমে আমরা ফিটনেসের বিভিন্ন প্যারামিটার যেমন বি.এম.আই, কার্ডিও, এফোর্ট ইত্যাদির পরিমাপ করতে পারি। 

গুগল ফিট - ফিটনেস ট্র্যাকিং - এই অ্যাপ'এর মাধ্যমে দৈনন্দিন কাজের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে পারি। সারাদিন কোন কাজে আমাদের কতটা এনার্জি ব্যবহার হল, তা সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। এই অ্যাপ আমাদের বল দেবে সারাদিন কতটা সময় আমরা সক্রিয় ছিলাম, কতটা সময় ঘুমিয়েছি বা বিশ্রাম নিয়েছি। এই অ্যাপ আমাকে প্রত্যেক দিন সকালে বডি ফিটনেস'এর জন্য টার্গেট তথা গোল ঠিক করে দেয়। সেই টার্গেট বা লক্ষ আমরা কতটা করতে পেরেছি তাও আমাদের গ্রাফিক্যালি দেখিয়ে দেয়। এই অ্যাপ আমাদের সক্রিয় সময়ে কতটা ক্যালরি বার্ন করেছি, কতটা সময় নিয়েছি, কটা স্টেপ নিয়েছি ইত্যাদি বিশয়ে তথ্য দেয়।

ইনস্ট্যান্ট হার্ট রেট - এই অ্যাপ'এর মাধ্যমে আমরা আমাদের হার্ট-বিট মনিটর করতে পারি। প্রত্যেক বার হার্ট-বিট পরীক্ষণের সাথে আমরা হার্ট-রেট ও রিয়াল টাইম পি.পি.জি গ্রাফ অ্যান্ড কার্ডিও ওয়ার্ক-আউট মনিটরিং করতে পারি।

সময়ের সাথে সাথে মানুষ অনেক আধুনিক হচ্ছে এবং এই আধুনিক চিন্তাধারা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে। সময়ের সাথে সাথে রোজই নতুন ধরণের অ্যাপ্লিকেশান তৈরি হচ্ছে এবং এর কার্যকারিতা আমরা উপভোগ করছি, তার থেকে অনেক সুবিধা আমরা পরবর্তী কালে পেতে পারি।।